ঘি সংরক্ষণ করবেন যেভাবে ?
বাঙালির রসনায় ঘি একটি অন্যতম প্রধান উপাদান। পোলাও-কোর্মা-বিরিয়ানি ছাড়া যেকোনো মুখরোচক খাবার তৈরিতে ঘি এর ব্যবহার সর্বত্র। এ ছাড়া গরম ভাতের সঙ্গে ঘি-লঙ্কা খাওয়ার চল আজও রয়েছে। আমরা অনেকেই এখন দোকান থেকে ঘি কিনে আনি, কেউ কেউ বাড়িতেও ঘি তৈরি করেন।
বাড়িতে বানানো ঘি
দোকানেও অনেক সময় মিলবে ‘হামমেড ঘি’। এগুলো খোলা জারের ঘি হয়ে থাকে। এটা সংরক্ষণের পদ্ধতি নির্ভর করে পরিমাণের ওপর। যদি এমন হয়, ঘিটুকু শেষ করতে তিন মাসের বেশি সময় লেগে যাবে; সে ক্ষেত্রে রেফ্রিজারেটরে রাখাই ভালো।
এয়ার টাইট জারে ঘি সংরক্ষণ
বাতাস প্রবেশ করতে পারে না—এমন জারে ঘি রাখতে পারলে সবচেয়ে ভালো। এটা রান্নাঘরের কেবিনেটে অন্ধকার ও ঠাণ্ডা স্থানে রাখতে হয়। এয়ার টাইট হলে আর রেফ্রিজারেটরে রাখার দরকার নেই।
ঘিয়ের মেয়াদ
জারে এয়ার টাইট অবস্থায় ঘি কিনে থাকলে তা খোলার পর এক বছর পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে।
এ ধরনের জারে সাধারণত কোনো একটা সময়সীমার মধ্যে ব্যবহারের সতর্কবার্তা থাকে। বোঝানো হয়, খোলার পর ওই সময়ের মধ্যে ব্যবহার করতে হবে।
সম্পাদকঃ সারোয়ার কবির (সম্পাদক) | প্রকাশকঃ আমান উল্লাহ সরকার (প্রকাশক)
যোগাযোগঃ স্যুইট # ০২, লেভেল #০২, মাহতাব সেন্টার , শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণি, ১৭৭ , বিজয়নগর, ঢাকা ১০০০, বাংলাদেশ।
মোবাইলঃ +৮৮০ ১৭১১৩১৪১৫৬, টেলিফোনঃ +৮৮০ ২২২৬৬৬৫৫৩৩
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬