|
প্রিন্টের সময়কালঃ ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ১১:১০ পূর্বাহ্ণ     |     প্রকাশকালঃ ০৯ আগu ২০২৬ ১১:৩৭ পূর্বাহ্ণ

পাঁচ বছর আগে শিশুহত্যার আসামি, এবার বাড়ির মালিক হত্যার অভিযোগে লাইলী


পাঁচ বছর আগে শিশুহত্যার আসামি, এবার বাড়ির মালিক হত্যার অভিযোগে লাইলী


কুমিল্লা প্রতিনিধি: 

 

 

কুমিল্লার দেবিদ্বারে বাড়ির মালিক ফরিদা ইয়াসমিন (৫০) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার লাইলী আক্তারকে ঘিরে পাঁচ বছর আগের একটি শিশুহত্যার ঘটনাও সামনে এসেছে। ২০২১ সালের নভেম্বর মাসে পরকীয়ার ঘটনা দেখে ফেলায় পাঁচ বছরের শিশু ফাহিমা আক্তারকে হত্যার ঘটনায় লাইলীর বিরুদ্ধে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছিল।

 

স্থানীয় সূত্র ও মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে দেবিদ্বারে শিশু ফাহিমা আক্তার হত্যাকাণ্ডে পাঁচজনকে অভিযুক্ত করা হয়। তারা হলেন—শিশুটির বাবা মো. আমির হোসেন (২৫), তার কথিত পরকীয়া সঙ্গী লাইলী আক্তার (৩০), প্রতিবেশী মো. রেজাউল ইসলাম ইমন, মো. রবিউল ইসলাম ও মো. সোহেল রানা।

 

অভিযোগ রয়েছে, লাইলী আক্তার ও আমির হোসেনের কথিত পরকীয়া সম্পর্কের বিষয়টি শিশু ফাহিমা দেখে ফেলেছিল। এ কারণে লাইলীর নির্দেশে শিশুটিকে হত্যা করা হয় বলে তদন্তসংশ্লিষ্টদের অভিযোগ ছিল।

 

ওই ঘটনায় পুলিশ ও র‌্যাব তদন্ত করে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করার কথা জানায়। তবে মামলার পরবর্তী বিচারিক অগ্রগতি ও আসামিদের জামিনের বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া গেলেও, এ বিষয়ে আদালতের সর্বশেষ অবস্থান নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

 

এদিকে, প্রায় পাঁচ বছর পর গত ৮ আগস্ট দেবিদ্বার পৌর এলাকার ছোটআলমপুরে বাড়ির মালিক ফরিদা ইয়াসমিনকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে লাইলী আক্তারের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, হত্যার পর ঘটনাটি গোপন করতে মরদেহ টুকরো করে পলিথিনে ভরে ১২টি প্যাকেট করা হয়।

 

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে হত্যাকাণ্ডের কারণ হিসেবে বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিহত নারী লাইলীর কর্মকাণ্ড সম্পর্কে কোনো কিছু জেনে ফেলেছিলেন কি না, অথবা অন্য কোনো বিরোধ কিংবা আর্থিক স্বার্থের কারণে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে কি না—এসব বিষয় তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

 

স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পাঁচ বছর আগে একটি শিশুহত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত হওয়ার পর একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফের হত্যার অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

 

তবে লাইলী আক্তারের বিরুদ্ধে ২০২১ সালের শিশু ফাহিমা হত্যা এবং সাম্প্রতিক ফরিদা ইয়াসমিন হত্যা—দুই ঘটনাতেই আদালতে প্রমাণিত অপরাধের বিষয়টি আলাদাভাবে বিবেচনা করতে হবে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো অভিযোগকেই চূড়ান্ত সত্য হিসেবে বিবেচনা করা যাচ্ছে না।


সম্পাদকঃ সারোয়ার কবির (সম্পাদক)     |     প্রকাশকঃ আমান উল্লাহ সরকার (প্রকাশক)
যোগাযোগঃ স্যুইট # ০২, লেভেল #০২, মাহতাব সেন্টার , শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণি, ১৭৭ , বিজয়নগর, ঢাকা ১০০০, বাংলাদেশ।
মোবাইলঃ   +৮৮০ ১৭১১৩১৪১৫৬, টেলিফোনঃ   +৮৮০ ২২২৬৬৬৫৫৩৩
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬