|
প্রিন্টের সময়কালঃ ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ০৩:৫১ পূর্বাহ্ণ     |     প্রকাশকালঃ ২৫ অক্টোবর ২০২৫ ০৫:৫১ অপরাহ্ণ

ভূরুঙ্গামারীতে মাদক আটক করে, ৭৫ হাজার টাকায় মাদক ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ 


ভূরুঙ্গামারীতে মাদক আটক করে, ৭৫ হাজার টাকায় মাদক ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ 


মো: আরিফুল ইসলাম জয়, ভূরুঙ্গামারী কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:-


 

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ২৩ কেজি গাঁজা আটকের পর মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও ইউনিয়ন পরিষদের দফাদারের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) রাতে উপজেলার পাথরডুবি ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের পাথরডুবি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন কামরুলের বাড়ি থেকে দফাদার আলম হোসেন, ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব নুরুজ্জামান ব্যাপারী, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের  আহবায়ক কমিটির সদস্য খলিলুর রহমান খলিল (ডিবি খলিল) ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির ছাত্র সমাজের সভাপতি কালাম, বিএনপি,নেতা ফারুক, হাফিজুর, হাসেম, শরিফুল কবির মনো মিলে প্রায় ২৩ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেন।
 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি জানান, প্রতিদ্বন্দ্বী মাদকচক্রের সূত্রে তারা ওই বাড়িতে মাদক থাকার খবর পান। এরপর নজরদারি চালিয়ে তালাবদ্ধ টয়লেট থেকে গাঁজাগুলো উদ্ধার করেন। পরে মোটরসাইকেলে করে মাদক সরিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
 

অভিযোগ অনুযায়ী, গাঁজার মূল মালিক সুজন নামের এক ব্যক্তি মাদক ফেরত দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানালে ১ লাখ ৫ হাজার টাকায় দফা-রফা হয়। পরে নগদ ৭৫ হাজার টাকা গ্রহণের পর মাদক তার হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। তবে টাকার ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হলে বিষয়টি ফাঁস হয়ে যায়।
 

বুধবার (২২ অক্টোবর) সকালে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতা পাথরডুবি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুস সবুরের কাছে দফাদার আলমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেন। চেয়ারম্যান লিখিত অভিযোগ চাইলে কেউ বাদী হতে রাজি না হওয়ায় অভিযোগ জমা হয়নি।
 

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উপজেলা সাবেক  সমন্বয়ক ছাত্রনেতা রুকনুজ্জামান রোকন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, গত বছর থেকেই আমরা এলাকায় মাদকবিরোধী আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় এসব অভিযান বারবার ভেস্তে যাচ্ছে।


পাথরডুবি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হযরত আলী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বিষয়টি উপজেলা নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। অপরাধী যেই হোক, দলীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
 

ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সবুর বলেন, দফাদারের বিরুদ্ধে মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
 

ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আল হেলাল মাহমুদ জানান, ঘটনার বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সম্পাদকঃ সারোয়ার কবির (সম্পাদক)     |     প্রকাশকঃ আমান উল্লাহ সরকার (প্রকাশক)
যোগাযোগঃ স্যুইট # ০২, লেভেল #০২, মাহতাব সেন্টার , শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণি, ১৭৭ , বিজয়নগর, ঢাকা ১০০০, বাংলাদেশ।
মোবাইলঃ   +৮৮০ ১৭১১৩১৪১৫৬, টেলিফোনঃ   +৮৮০ ২২২৬৬৬৫৫৩৩
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬