|
প্রিন্টের সময়কালঃ ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ০৮:৪১ পূর্বাহ্ণ     |     প্রকাশকালঃ ২১ এপ্রিল ২০২৫ ০৮:১৬ অপরাহ্ণ

খাগড়াছড়ির লক্ষিছড়ি উপজেলা এবং চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার সংযোগ রোড় সংস্কার কাজে অনিয়মের অভিযোগ, ক্ষিপ্ত স্থানীয় জনতা


খাগড়াছড়ির লক্ষিছড়ি উপজেলা এবং চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার সংযোগ রোড় সংস্কার কাজে অনিয়মের অভিযোগ, ক্ষিপ্ত স্থানীয় জনতা


মোহাম্মদ করিম,খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:-



খাগড়াছড়ির লক্ষীছড়ি ও চট্টগ্রামের ফটিকছড়িকে সংযুক্তকারী কাঞ্চননগর সড়কের কার্পেটিং কাজে আবারও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, বর্ষার বৃষ্টিতে কাদামাখা ভেজা মাটির ওপরেই নিয়মবহির্ভূতভাবে বিটুমিন না দিয়েই পিচ ঢালাই করা হচ্ছে, যা সড়কটির স্থায়িত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।


 


 

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘবছর ধরে সড়কটি সংস্কারের অভাবে ভোগান্তির শিকার হচ্ছিল হাজারো মানুষ। বহু প্রতীক্ষার পর কাজ শুরু হলেও এখন সেই কাজের মান নিয়েই ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন তারা। সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকজন যুবক ফেসবুক লাইভে এসে সড়কের কাজের বাস্তব অবস্থা তুলে ধরেন—সেখানে দেখা যায়, সামান্য খোঁচাতেই পিচ ঢালাই উঠে আসছে, মাটির সাথে কোনো সংযুক্তি নেই।
 

এই ফেসবুক লাইভে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কিছু লোক এসে ওই যুবকদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা ও হুমকি দেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে—নেটিজেনরা বলছেন, “এভাবে জনগণের ট্যাক্সের টাকা নষ্ট হতে দেওয়া যায় না”, “প্রশাসন কি অন্ধ?”, “মানুষের চোখের সামনেই দুর্নীতি চলছে!”
 

বিক্ষুব্ধ স্থানীয়রা কাজ বন্ধ করে প্রকৃত তদন্ত ও মান যাচাইয়ের দাবি জানাচ্ছেন প্রশাসনের কাছে। তারা বলেন, “ভবিষ্যতে এই সড়ক আবার ভেঙে গেলে এর দায় কে নেবে?”
 

এদিকে এখনো পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, দ্রুত এই অনিয়ম তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক এবং গুণগতমান নিশ্চিত করে প্রকল্পটি সম্পন্ন করা হোক।


সম্পাদকঃ সারোয়ার কবির (সম্পাদক)     |     প্রকাশকঃ আমান উল্লাহ সরকার (প্রকাশক)
যোগাযোগঃ স্যুইট # ০২, লেভেল #০২, মাহতাব সেন্টার , শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণি, ১৭৭ , বিজয়নগর, ঢাকা ১০০০, বাংলাদেশ।
মোবাইলঃ   +৮৮০ ১৭১১৩১৪১৫৬, টেলিফোনঃ   +৮৮০ ২২২৬৬৬৫৫৩৩
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬