|
প্রিন্টের সময়কালঃ ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ১০:১৩ পূর্বাহ্ণ     |     প্রকাশকালঃ ৩১ জুলাই ২০২৩ ০৬:৪০ অপরাহ্ণ

৩০০ মিলিয়ন ডলার ঋণসহায়তা দিচ্ছে গ্যাস বিতরণের সক্ষমতা বাড়াতে বিশ্বব্যাংক


৩০০ মিলিয়ন ডলার ঋণসহায়তা দিচ্ছে গ্যাস বিতরণের সক্ষমতা বাড়াতে বিশ্বব্যাংক


গ্যাস বিতরণের সক্ষমতা বাড়াতে বাংলাদেশকে ৩০০ মিলিয়ন বা ৩০ কোটি ডলার ঋণসহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। এই অর্থ গ্যাস বিতরণে সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি গৃহস্থালি ও শিল্পকারখানার গ্যাসের প্রিপ্রেইড মিটার বসাতে ব্যবহার করা যাবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

‘গ্যাস সেক্টর ইফিসিয়েন্সি ইমপ্রুভমেন্ট অ্যান্ড কার্বন অ্যাবেটমেন্ট প্রজেক্ট’ বা ‘গ্যাস খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও কার্বন নিঃসরণ হ্রাস’ শীর্ষক এ প্রকল্পের আওতায় এই অর্থ দেওয়ার কথা জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

এই প্রকল্পের আওতায় ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগে প্রায় ১২ লাখ প্রিপ্রেইড মিটার স্থাপন করা হবে। এর মধ্যে ঢাকায় বসানো হবে প্রায় ১১ লাখ প্রিপ্রেইড মিটার। ফলে ৫৪ শতাংশ গৃহস্থালি প্রিপেইড মিটারের আওতায় চলে আসবে। রাজশাহী বিভাগের বসানো হবে ১ লাখ ২৮ হাজার মিটার। তাতে পশ্চিমাঞ্চলীয় গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের সব গ্রাহকই প্রিপেইড মিটারের আওতায় আসবেন।


এ ছাড়া এর আওতায় ৫০টি শিল্পকারখানায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে স্মার্ট মিটার বসানো হবে। এতে এসব শিল্পকারখানায় গ্যাসের অপচয় রোধ হওয়ার পাশাপাশি সঠিক ব্যবহার বাড়বে বলে আশা করছে বিশ্বব্যাংক।

গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের প্রধান আবদুল্লায়ে সেক বলেন, এই প্রকল্প বাংলাদেশের গৃহস্থালি কিংবা শিল্পকারখানায় গ্যাসের অপচয় রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ ছাড়া গ্যাস লাইনে ছিদ্রসহ নানা করণে যে মিথেন গ্যাস নিঃসরণ হয়, তা রোধেও ভূমিকা পালন করবে। মিথেন গ্যাস কার্বন ডাই অক্সাইডের চেয়ে ২৫ গুণ ক্ষতিকর। এ কারণে পাইপ লাইনে ছিদ্রের কারণে গ্যাস নির্গমন করা বন্ধ এই প্রকল্পের বড় একটি উদ্দেশ্য।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, বাংলাদেশের জ্বালানি চাহিদার ৬৮ শতাংশ মেটাচ্ছে প্রাকৃতিক গ্যাস।


সম্পাদকঃ সারোয়ার কবির (সম্পাদক)     |     প্রকাশকঃ আমান উল্লাহ সরকার (প্রকাশক)
যোগাযোগঃ স্যুইট # ০২, লেভেল #০২, মাহতাব সেন্টার , শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণি, ১৭৭ , বিজয়নগর, ঢাকা ১০০০, বাংলাদেশ।
মোবাইলঃ   +৮৮০ ১৭১১৩১৪১৫৬, টেলিফোনঃ   +৮৮০ ২২২৬৬৬৫৫৩৩
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬