|
প্রিন্টের সময়কালঃ ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ১২:২৯ অপরাহ্ণ     |     প্রকাশকালঃ ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ ০৫:২০ অপরাহ্ণ

কারওয়ান বাজারে চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে মুসাব্বির হত্যা: ডিবি


কারওয়ান বাজারে চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে মুসাব্বির হত্যা: ডিবি


রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করেই স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আজিজুর রহমান ওরফে মুসাব্বিরকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
 

শনিবার সকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ও ডিবি প্রধান শফিকুল ইসলাম।
 

তিনি বলেন, কারওয়ান বাজার এলাকায় প্রকাশ্যে ও গোপনে চাঁদা আদায়ের সঙ্গে জড়িত অন্তত আট থেকে নয়টি সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ ও আদায়কৃত অর্থের ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্ব থেকেই এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, বিদেশে পলাতক আন্ডারওয়ার্ল্ড সন্ত্রাসী দিলীপ ওরফে ‘বিনাশ’-এর নির্দেশে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।
 

ডিবি প্রধান আরও বলেন, “চাঁদাবাজদের কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক পরিচয় নেই। কারওয়ান বাজারের মতো বড় কাঁচাবাজারে দখল-বাণিজ্য টিকিয়ে রাখতে তারা সময়ভেদে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যানার ব্যবহার করে।”
 

উল্লেখ্য, চলতি মাসের ৭ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর পশ্চিম তেজতুরী পাড়ার হোটেল সুপার স্টারের পাশের একটি গলিতে গুলি করে হত্যা করা হয় স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আজিজুর রহমান মুসাব্বিরকে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে তেজগাঁও থানায় অজ্ঞাতনামা ৪–৫ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
 

এ মামলার তদন্তে হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যতম প্রধান শুটার মো. রহিমকে শুক্রবার নরসিংদীর মাধবদী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন ও ১২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
 

এর আগে, গত ১১ জানুয়ারি মামলার আরও চার আসামি—জিন্নাত, আবদুল কাদির, মো. রিয়াজ ও মো. বিলালকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ নিয়ে এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত মোট পাঁচজন বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।
 

সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের বরাতে পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের প্রায় ২৫ মিনিট আগে প্রধান দুই সন্দেহভাজন মোটরসাইকেলযোগে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। কারওয়ান বাজারের স্টার হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট সংলগ্ন গলির মুখে তাদের এক সহযোগী আগে থেকেই অবস্থান করছিল। পরে মোটরসাইকেলটি তার কাছে রেখে দুজন গলির ভেতরের অন্ধকার স্থানে ওত পেতে থাকে। হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার পর মোটরসাইকেল নিয়ে ওই সহযোগী ফার্মগেটের দিকে চলে যায়।
 

ডিবি প্রধান শফিকুল ইসলাম জানান, মুসাব্বির হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদ্‌ঘাটনে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে।


সম্পাদকঃ সারোয়ার কবির (সম্পাদক)     |     প্রকাশকঃ আমান উল্লাহ সরকার (প্রকাশক)
যোগাযোগঃ স্যুইট # ০২, লেভেল #০২, মাহতাব সেন্টার , শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণি, ১৭৭ , বিজয়নগর, ঢাকা ১০০০, বাংলাদেশ।
মোবাইলঃ   +৮৮০ ১৭১১৩১৪১৫৬, টেলিফোনঃ   +৮৮০ ২২২৬৬৬৫৫৩৩
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬