|
প্রিন্টের সময়কালঃ ১৩ জুন ২০২৬ ০৮:১৫ অপরাহ্ণ     |     প্রকাশকালঃ ১৩ জুন ২০২৬ ০৩:৪৯ অপরাহ্ণ

জিসানের বিরুদ্ধে ওঠা ধর্ষণ অভিযোগ নিয়ে মুখ খুললেন ফরহাদ


জিসানের বিরুদ্ধে ওঠা ধর্ষণ অভিযোগ নিয়ে মুখ খুললেন ফরহাদ


ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জিসান আহমদকে ঘিরে চলমান ঘটনার বিষয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছেন ডাকসুর জিএস ও ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এস এম ফরহাদ।

 

শনিবার দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে তিনি ঘটনার বিভিন্ন দিক, প্রশাসনের ভূমিকা ও বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরেন।

 

তিনি বলেন, গতরাতে পুলিশ জিসানকে উদ্ধার করার পর থেকে আজ দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ছাত্রশিবিরের কোনো প্রতিনিধি দল কিংবা জিসানের পরিবারের সদস্যদের তার সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেয়নি প্রশাসন। এখনো জিসান পুলিশের জিম্মায় রয়েছেন। ফলে নিখোঁজ সংক্রান্ত তার বিস্তারিত বক্তব্য জানার সুযোগ তারা পাননি। ফলে নিখোঁজ বা অপহরণ সংক্রান্ত বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য ছাড়া দ্বিতীয় কোনো সূত্র এখন পর্যন্ত তাদের কাছে নেই।

 

এছাড়া জিসানের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরকারী লিজা আক্তারের পরিবারের বিষয়ে অভিযোগ তুলে ধরেন এস এম ফরহাদ। তিনি বলেন, জিসানের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরকারী বিধবা নারী লিজা আক্তারের বড় বোন জানিয়েছেন, গতকাল বিকেলে ১৫-২০ জন পুলিশ বা প্রশাসনের সদস্য তাদের বাড়ি থেকে লিজাকে নিয়ে যান। এ সময় পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে যেতে দেওয়া হয়নি।

 

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, লিজা ও তার বাবাকে এখনো পুলিশের জিম্মায় ‘আইসোলেটেড’ অবস্থায় রাখা হয়েছে এবং তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। লিজার বড় বোন সাবিকুন্নাহার জানান, বাড়ি থেকে পুলিশ নিয়ে যাওয়ার সময় থেকে শুরু করে থানায় নেওয়া, মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া এবং বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত জানেন না। কারণ, তিনি বা তার পরিবারের সদস্যরা পুলিশের জিম্মায় থাকা লিজা ও তার বাবার সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ করতে পারেননি। তবে তিনি জিসান এবং লিজার প্রেমের সম্পর্কের বিষয়ে আগে থেকেই অবগত ছিলেন বলে জানান।

 

পোস্টে ডাকসু জিএস আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে না পারায় এখন পর্যন্ত ঘটনার প্রকৃত রহস্য বা বাস্তবতা উদঘাটন সম্ভব হয়নি। তবে প্রেমের সম্পর্ক প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী জিসান আহমদকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কোনো ধরনের অপরাধ প্রমাণিত হলে ভুক্তভোগীকে সব ধরনের আইনি সহায়তা দেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।


সম্পাদকঃ সারোয়ার কবির     |     প্রকাশকঃ আমান উল্লাহ সরকার
যোগাযোগঃ স্যুইট # ০৬, লেভেল #০৯, ইস্টার্ন আরজু , শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণি, ৬১, বিজয়নগর, ঢাকা ১০০০, বাংলাদেশ।
মোবাইলঃ   +৮৮০ ১৭১১৩১৪১৫৬, টেলিফোনঃ   +৮৮০ ২২২৬৬৬৫৫৩৩
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬