শনিবার মধ্যরাতে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন স্বাক্ষরিত পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে কমিটিগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে ঘোষিত এসব কমিটিতে বহু ত্যাগী নেতাকর্মী স্থান না পাওয়ায় সংগঠনের ভেতরে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
ঘোষিত কমিটিগুলোর মধ্যে ঢাকা মহানগরের উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিম—এই চারটি গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটের পূর্ণাঙ্গ কমিটি রয়েছে। এছাড়া ময়মনসিংহ ও কুমিল্লা মহানগর, ময়মনসিংহ উত্তর ও দক্ষিণ জেলা, জামালপুর, নেত্রকোনা, মানিকগঞ্জ, নরসিংদী, হবিগঞ্জ ও খাগড়াছড়ি জেলায় পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
অন্যদিকে রাজশাহী ও বরিশাল মহানগরসহ কয়েকটি জেলায় আংশিক কমিটি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণাঙ্গ ও আংশিক কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে। রাজধানীর বাইরে বেশ কয়েকটি কলেজ এবং ঢাকার ঢাকা কলেজে বর্ধিত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় নেতারা জানান, সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করা এবং মাঠ পর্যায়ে কার্যকর নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই পুনর্গঠন করা হয়েছে।
এদিকে নতুন কমিটিতে পদবঞ্চিত হওয়া নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারা প্রকাশ্যে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন।
রোববার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ করেন। একই দিনে রাঙামাটি শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করে জেলা ছাত্রদলের একাংশ।
এছাড়া লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মো. জাহিদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তার কান্নার ভিডিও দ্রুত সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।