দেশের হাই স্কুল ও মাদ্রাসায় প্রায় ৭৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তবে নতুন নিয়োগের আগে দূরবর্তী ও প্রত্যন্ত এলাকায় কর্মরত শিক্ষকদের বদলির ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
সোমবার সকালে রাজধানীর বনানীতে শেরাটন হোটেলে আয়োজিত ‘কিউএস বাংলাদেশ ফোরাম ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের বদলির প্রক্রিয়া শিগগিরই শুরু হবে। বদলি কার্যক্রম শেষ করার পর নতুন শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়ায় যাবে সরকার। একই সঙ্গে সারাদেশে শিক্ষকদের অবসর ভাতা দেওয়ার কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।
তিনি জানান, দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রায় ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এ-সংক্রান্ত মামলারও নিষ্পত্তি হয়েছে। এছাড়া পাবলিক স্কুলগুলোর প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা নিয়ে যে জটিলতা ছিল, সেটিও কেটে গেছে। দ্রুত এসব পদের জন্য মৌখিক পরীক্ষা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
কিউএস বাংলাদেশ ফোরামে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকারের ১৮০ দিনের ‘হানিমুন পিরিয়ড’ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এই সময়ে শিক্ষা খাতের বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করা হয়েছে। এখন সেসব সমস্যা সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ে অবস্থান আরও উন্নত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি। এ জন্য গবেষণার পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি মানসম্মত গবেষণা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং বিশ্বের শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সংযোগ আরও জোরদার করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী।