পাঁচ গ্রামের কৃষকদের পাশে দাঁড়ালেন কায়কোবাদ: ব্যক্তিগত উদ্যোগে চালু হলো বইদ্দার বিলের সেচ ব্যবস্থা

  প্রিন্ট করুন   প্রকাশকালঃ ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ ০৫:৩২ অপরাহ্ণ   |   ৯৬ বার পঠিত
পাঁচ গ্রামের কৃষকদের পাশে দাঁড়ালেন কায়কোবাদ: ব্যক্তিগত উদ্যোগে চালু হলো বইদ্দার বিলের সেচ ব্যবস্থা

কাজী শরীফ, কুমিল্লা উত্তর জেলা প্রতিনিধি:

 

 

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় সেচের পানির তীব্র সংকটে বইদ্দার বিলের প্রায় ৪০০ একর কৃষিজমিতে চাষাবাদ কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছিল। এতে হিরাকান্দা, দিলালপুর, করিমপুর, মধ্যনগর, মুরাদনগর ও ইউসুফনগরের আংশিক এলাকার পাঁচ গ্রামের শতশত কৃষক চরম দুর্ভোগে পড়েন।

 

কৃষকদের এই সংকটের খবর পেয়ে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ তাৎক্ষণিকভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তাঁর ব্যক্তিগত অর্থায়নে দীর্ঘদিন ধরে অচল হয়ে থাকা সেচ স্কিমটি পুনরায় চালু করা হয়। এর ফলে বইদ্দার বিলে পানির প্রবাহ ফিরে এসেছে এবং চলতি ইরি মৌসুমে ধান রোপণের আশায় নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছেন কৃষকরা।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বইদ্দার বিলের সেচ ব্যবস্থাপনা স্থানীয়ভাবে পরিচালিত হয়ে আসছিল। তবে সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থানের পর সৃষ্ট রাজনৈতিক অস্থিরতায় সংশ্লিষ্টরা আত্মগোপনে চলে গেলে সেচ স্কিমটি অচল হয়ে পড়ে। এতে ইরি মৌসুম শুরু হলেও সেচের পানির অভাবে কৃষকরা জমিতে চাষাবাদ শুরু করতে পারেননি।

 

বিষয়টি স্থানীয় সংবাদকর্মী ফজলে রাব্বি রাফির নজরে এলে তিনি কৃষকদের দুরবস্থার কথা বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ ও তাঁর ছোট ভাই কাজী শাহ আরফিনকে অবহিত করেন। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কায়কোবাদ দ্রুত সেচ ব্যবস্থা চালুর নির্দেশ দেন।

 

এরপর কাজী শাহ আরফিন নিজ উদ্যোগে ও ব্যক্তিগত অর্থায়নে বন্ধ হয়ে যাওয়া সেচ ড্রেন পুনঃখনন, বিকল মটর ও পাইপলাইন মেরামত এবং বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থা করেন। অল্প সময়ের মধ্যেই সেচ স্কিমটি পুনরায় চালু হলে বইদ্দার বিলে পানি পৌঁছাতে শুরু করে।

 

সেচের পানি ফিরে পাওয়ায় কৃষকদের মাঝে স্বস্তি ও আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। কৃষক আক্কাস মিয়া কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন,
“আমাদের বিপদে-আপদে দাদা কায়কোবাদ ও তাঁর পরিবারকে সবসময় পাশে পাই। আল্লাহ যেন দাদা ও তাঁর পরিবারকে হেফাজত করেন।”

 

কৃষকদের মতে, এই উদ্যোগের ফলে শুধু জমিতে পানি নয়, তাদের জীবনে নতুন করে বেঁচে থাকার আশাও ফিরে এসেছে।