|
প্রিন্টের সময়কালঃ ১৮ এপ্রিল ২০২৬ ১০:১০ অপরাহ্ণ     |     প্রকাশকালঃ ১৮ এপ্রিল ২০২৬ ০৫:২২ অপরাহ্ণ

গোপালগঞ্জে পাসপোর্ট সেবায় ধস, লোডশেডিংয়ে ভোগান্তি চরমে


গোপালগঞ্জে পাসপোর্ট সেবায় ধস, লোডশেডিংয়ে ভোগান্তি চরমে


মোঃ শিহাব উদ্দিন, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:


গোপালগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে নিয়মিত লোডশেডিং ও দীর্ঘদিন ধরে জেনারেটর বিকল থাকায় সেবা কার্যক্রম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। এতে দূর-দূরান্ত থেকে আসা সেবাপ্রত্যাশীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন গড়ে ৭০ থেকে ১০০টি পাসপোর্ট আবেদন গ্রহণ এবং ৮০ থেকে ১২০টি পাসপোর্ট বিতরণ করা হয়। তবে পুরো কার্যক্রম বিদ্যুৎনির্ভর হওয়ায় বিদ্যুৎ চলে গেলে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। গত এক মাস ধরে জেনারেটর অচল থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) গোপালগঞ্জ সদরের থানাপাড়া এলাকার শাহ আলম বলেন, “সকাল থেকে সব কাগজ জমা দিয়েছি, কিন্তু বিদ্যুৎ না থাকায় ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও ছবি তোলা সম্ভব হয়নি। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হয়েছে।”

কোটালীপাড়া উপজেলার কুশলা গ্রামের সুমি বেগম বলেন, “জরুরি কাজে এসেও দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। বিকল্প ব্যবস্থা থাকা উচিত ছিল।”

টুঙ্গিপাড়ার দক্ষিণ বাসুড়িয়া গ্রামের রাফসা জানান, “বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় কাজ বারবার বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এতে সবারই সময় নষ্ট হচ্ছে।”

পাসপোর্ট অফিসের উপপরিচালক মো. নুরুল হুদা বলেন, “বর্তমানে একটি মাত্র বিদ্যুৎ ফিডার রয়েছে। দ্বিতীয় ফিডারের জন্য আবেদন করা হয়েছে। জেনারেটর মেরামত বা নতুন জেনারেটর স্থাপনের বিষয়েও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।”

অন্যদিকে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির এক নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, বিদ্যুতের ঘাটতির কারণে রোটেশন পদ্ধতিতে লোডশেডিং করা হচ্ছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, গুরুত্বপূর্ণ সেবাকেন্দ্রে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত না হলে জনভোগান্তি আরও বাড়বে। তাই দ্রুত বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা চালু ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন জরুরি।


সম্পাদকঃ সারোয়ার কবির     |     প্রকাশকঃ আমান উল্লাহ সরকার
যোগাযোগঃ স্যুইট # ০৬, লেভেল #০৯, ইস্টার্ন আরজু , শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণি, ৬১, বিজয়নগর, ঢাকা ১০০০, বাংলাদেশ।
মোবাইলঃ   +৮৮০ ১৭১১৩১৪১৫৬, টেলিফোনঃ   +৮৮০ ২২২৬৬৬৫৫৩৩
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬