|
প্রিন্টের সময়কালঃ ০৭ মে ২০২৬ ১০:৩৮ অপরাহ্ণ     |     প্রকাশকালঃ ০৭ মে ২০২৬ ০৭:২৩ অপরাহ্ণ

ড. ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ


ড. ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ


ঢাকার উত্তরা এলাকায় অবস্থিত মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনার ঘটনায় সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে দায়েরের আবেদন করা মামলা গ্রহণ করেননি আদালত।

 

বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকার মহানগর হাকিম আরিফুল ইসলাম মামলাটি খারিজ করে দেন। আদালতের প্রসেস সার্ভার শাহাদাত হোসেন জানান, মামলা গ্রহণের মতো পর্যাপ্ত উপাদান না পাওয়ায় এ আদেশ দেওয়া হয়েছে।

 

এর আগে সকালে নিহত শিক্ষার্থী উক্য ছাইং মারমার বাবা উসাইমং মারমা আদালতে মামলার আবেদন করেন। শুনানিতে আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আদেশের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন। পরে বিকেলে মামলাটি খারিজের আদেশ দেওয়া হয়।

 

মামলার আবেদনে অভিযুক্ত হিসেবে আরও যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল, তারা হলেন-সাবেক আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, সাবেক পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, সাবেক শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার, প্রধান উপদেষ্টার সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম, সাবেক শিক্ষা সচিব সিদ্দিক জুবায়ের, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন, এয়ার ভাইস মার্শাল মোরশেদ মোহাম্মদ খায়ের উল আফসার, গ্রুপ ক্যাপ্টেন রিফাত আক্তার জিকু, গভর্নিং বডির উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল নুরনবী, অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জিয়াউল আলম, প্রশাসনিক প্রধান মাসুদ আলম, স্কুল শাখার প্রধান রিফাত নবী, রাজউক চেয়ারম্যান এবং রাজউকের উত্তরা অঞ্চলের ফিল্ড সুপারভাইজার।

 

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত বছরের ২১ জুলাই শিক্ষার্থীরা প্রতিদিনের মতো শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত ছিল। দুপুর ১টা ১৮ মিনিটের দিকে অভিযুক্তদের দায়িত্ব ও তত্ত্বাবধানে থাকা এফ-৭ বিজিআই প্রশিক্ষণ বিমান উড্ডয়নের অনুমতি দেওয়া হয়। পরে প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে বিমানটি মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে বিধ্বস্ত হয় বলে অভিযোগে দাবি করা হয়।

 

মামলার আবেদনে আরও বলা হয়, দুর্ঘটনায় ২৮ জন শিক্ষার্থী, তিনজন শিক্ষিকা, তিনজন অভিভাবক এবং একজন পরিচালকসহ মোট ৩৫ জন নিহত হন। এছাড়া দগ্ধ হয়ে আহত হন আরও ১৭২ জন, যাদের অনেকেই স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

এছাড়া প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা না থাকা এবং ভবন নির্মাণে বিধিমালা অনুসরণ না করায় উদ্ধারকাজ ব্যাহত হয়েছিল বলেও আবেদনে দাবি করা হয়। এতে আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয়নি এবং অনেক শিক্ষার্থী চিকিৎসার আগেই মারা যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

 


সম্পাদকঃ সারোয়ার কবির     |     প্রকাশকঃ আমান উল্লাহ সরকার
যোগাযোগঃ স্যুইট # ০৬, লেভেল #০৯, ইস্টার্ন আরজু , শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণি, ৬১, বিজয়নগর, ঢাকা ১০০০, বাংলাদেশ।
মোবাইলঃ   +৮৮০ ১৭১১৩১৪১৫৬, টেলিফোনঃ   +৮৮০ ২২২৬৬৬৫৫৩৩
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬