|
প্রিন্টের সময়কালঃ ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ০১:৩২ পূর্বাহ্ণ     |     প্রকাশকালঃ ২২ এপ্রিল ২০২৬ ১০:১০ অপরাহ্ণ

অনুমতি ছাড়া ভিডিও ধারণ ও প্রচারে কঠোর ব্যবস্থা, ৯০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষের নির্দেশনা


অনুমতি ছাড়া ভিডিও ধারণ ও প্রচারে কঠোর ব্যবস্থা, ৯০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষের নির্দেশনা


নিউজ ডেস্ক, ঢাকা প্রেস:

 

 

‘কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ পরিচয়ে মোবাইল বা ক্যামেরা ব্যবহার করে অনুমতি ছাড়াই ব্যক্তির ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করলে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। তিনি বলেন, এ ধরনের অভিযোগের ক্ষেত্রে ২০২৬ সালের সাইবার সুরক্ষা আইনের আওতায় ৯০ দিনের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা হবে।

 

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম হিলালীর লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

 

লিখিত প্রশ্নে রফিকুল ইসলাম হিলালী বলেন, অনেকেই ‘কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ পরিচয়ে মোবাইল বা ক্যামেরা নিয়ে ঘুরে অনুমতি ছাড়াই ব্যক্তির ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রসালো শিরোনামে প্রচার করছে। অনেক ক্ষেত্রে এসব ভিডিওকে কেন্দ্র করে ভুক্তভোগীদের হুমকি দিয়ে চাঁদা দাবি করার ঘটনাও ঘটছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে সরকারের পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চান তিনি।

 

জবাবে মন্ত্রী জানান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ইতোমধ্যে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, ‘সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬’-এর ধারা ২৫(১) অনুযায়ী ব্ল্যাকমেইলিং, যৌন হয়রানি, রিভেঞ্জ পর্ন বা সেক্সটরশনের উদ্দেশ্যে তথ্য, ভিডিও বা ছবি প্রচার বা প্রচারের হুমকি দেওয়া শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

 

আইন অনুযায়ী, ধারা ২৫(২)-এ এ ধরনের অপরাধে সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে। আর ভুক্তভোগী নারী বা ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু হলে ধারা ২৫(৩) অনুযায়ী সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড বা ২০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে।

 

এছাড়া, চাঁদা দাবি করার ঘটনা ‘সাইবার স্পেসে প্রতারণা’ হিসেবে ধারা ২২-এর আওতায় পড়বে, যেখানে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড বা ৫০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

 

প্রযুক্তিগত দিক থেকেও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আইনের ধারা ৮ অনুযায়ী জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির মহাপরিচালক ক্ষতিকর কনটেন্ট অপসারণ বা ব্লক করার ক্ষমতা রাখেন এবং এ বিষয়ে বিটিআরসিকে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করতে পারেন। পাশাপাশি ধারা ৯ অনুযায়ী জাতীয় সাইবার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম ও ন্যাশনাল সিকিউরিটি অপারেশন সেন্টার এ ধরনের অপরাধ শনাক্ত ও প্রতিরোধে সক্রিয়ভাবে কাজ করবে।


সম্পাদকঃ সারোয়ার কবির     |     প্রকাশকঃ আমান উল্লাহ সরকার
যোগাযোগঃ স্যুইট # ০৬, লেভেল #০৯, ইস্টার্ন আরজু , শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণি, ৬১, বিজয়নগর, ঢাকা ১০০০, বাংলাদেশ।
মোবাইলঃ   +৮৮০ ১৭১১৩১৪১৫৬, টেলিফোনঃ   +৮৮০ ২২২৬৬৬৫৫৩৩
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬