|
প্রিন্টের সময়কালঃ ১২ এপ্রিল ২০২৬ ০৫:৪৮ অপরাহ্ণ     |     প্রকাশকালঃ ১২ এপ্রিল ২০২৬ ০২:৫২ অপরাহ্ণ

পাহাড়ে বিজু-বৈসাবির আমেজ, ফুল ভাসিয়ে উৎসবের সূচনা


পাহাড়ে বিজু-বৈসাবির আমেজ, ফুল ভাসিয়ে উৎসবের সূচনা


স্টাফ রিপোর্টার:


পুরোনো বছরের সব গ্লানি ভুলে নতুন বছরের সুখ-শান্তি ও মঙ্গল কামনায় নদীতে ফুল অর্পণের মধ্য দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে শুরু হয়েছে পাহাড়ি জাতিসত্তার প্রধান ঐতিহ্যবাহী উৎসব বিজু-বৈসাবি।

শনিবার (১২ এপ্রিল) সকালে নদীতে ফুল ভাসানোর মাধ্যমে উৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। তবে কয়েকদিন ধরেই তিন পার্বত্য জেলায় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শোভাযাত্রা, র‍্যালি ও বৈশাখী মেলার আয়োজন চলছে।

পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন জাতিসত্তা নিজস্ব রীতি অনুযায়ী ভিন্ন নামে এ উৎসব পালন করে। ত্রিপুরাদের ‘বৈসু’, মারমাদের ‘সাংগ্রাই’, চাকমাদের ‘বিজু’, তঞ্চঙ্গ্যাদের ‘বিষু’সহ বিভিন্ন নামে পরিচিত এই উৎসব সম্মিলিতভাবে ‘বৈসাবি’ নামে পরিচিত, যা সম্প্রীতি ও ঐক্যের প্রতীক।

উৎসবের অন্যতম আয়োজন হিসেবে নদীতে ফুল অর্পণ, শোভাযাত্রা ও ঐতিহ্যবাহী পোশাকে অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের সংস্কৃতি তুলে ধরেন পাহাড়ি জনগোষ্ঠী। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এ আয়োজন বাস্তবায়ন করে।

বৈচিত্র্যময় এ উৎসবের মূল চেতনা হচ্ছে সামাজিক সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং প্রকৃতির সঙ্গে সহাবস্থান। উৎসবের মাধ্যমে পুরোনো বছরের দুঃখ-গ্লানি ভুলে নতুন বছরকে বরণ করা হয়।

ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের বৈসু উৎসব তিনদিনব্যাপী পালিত হয়, যেখানে ঘরবাড়ি সাজানো, গরু-ছাগলকে ফুলের মালা পরানো এবং অতিথি আপ্যায়নের রীতি রয়েছে। মারমাদের সাংগ্রাই উৎসবে পানি খেলা অন্যতম আকর্ষণ, যা পুরোনো বছরের গ্লানি ধুয়ে ফেলার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। অন্যদিকে চাকমাদের বিজু উৎসবে ‘ফুল বিজু’, ‘মুল বিজু’ ও নববর্ষ উদযাপনসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক আচার পালিত হয়।

এ ছাড়া অন্যান্য জাতিসত্তাও নিজ নিজ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি অনুযায়ী উৎসব উদযাপন করে থাকে।


সম্পাদকঃ সারোয়ার কবির     |     প্রকাশকঃ আমান উল্লাহ সরকার
যোগাযোগঃ স্যুইট # ০৬, লেভেল #০৯, ইস্টার্ন আরজু , শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণি, ৬১, বিজয়নগর, ঢাকা ১০০০, বাংলাদেশ।
মোবাইলঃ   +৮৮০ ১৭১১৩১৪১৫৬, টেলিফোনঃ   +৮৮০ ২২২৬৬৬৫৫৩৩
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬