বাংলাদেশে বিনিয়োগ নিয়ে চীনের ব্যবসায়ী মহলের ইতিবাচক বার্তা

  প্রিন্ট করুন   প্রকাশকালঃ ২৫ জুন ২০২৬ ০৩:২৫ অপরাহ্ণ   |   ৩৪ বার পঠিত
বাংলাদেশে বিনিয়োগ নিয়ে চীনের ব্যবসায়ী মহলের ইতিবাচক বার্তা

চীনের সরকারি ও বেসরকারি খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের ব্যাপারে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

 

মাহদী আমিন বলেন, বর্তমান সফরের মূল লক্ষ্য দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করা। বিশেষ করে চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য জোরদার এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলোকে আরও বিস্তৃত করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

 

সফরের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার সকালে অনুষ্ঠিত হয় ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি বিনিয়োগ সম্মেলন। বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে চীনের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৮০ জন উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী ও করপোরেট নির্বাহী অংশ নেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা ও সুবিধাগুলো তুলে ধরে চীনা ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

 

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জানান, সফরকালে চীনের একাধিক বড় শিল্পগোষ্ঠী ও অবকাঠামো প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা সরকারপ্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে ‘চায়না ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট কোঅপারেশন এজেন্সি’, ‘চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশন’ এবং ‘চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশন’। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

 

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার কারণে বাংলাদেশকে বিনিয়োগের জন্য একটি সম্ভাবনাময় গন্তব্য হিসেবে বিবেচনা করছে চীন।

 

এদিন বেইজিংয়ের রাষ্ট্রীয় অতিথিশালা ‘দিয়াওইউতাই’-এ চীনের পানিসম্পদ মন্ত্রী লি গুয়েইংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে তিস্তা নদীসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন নদী ব্যবস্থাপনা ও পানি সম্পদ উন্নয়ন নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে মতৈক্য গড়ে ওঠে।

 

এ ছাড়া বেশ কয়েকটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। সফরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিকেলে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে তার বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ওই বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে ১৫টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।