শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার কোনাগাঁতী গ্রামে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত আকরাম হোসেন পাশের খোসালপুর গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় কোনাগাঁতী গ্রামে মারুফের বাড়ির আঙিনায় আকরামের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে তাঁরা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত মারুফকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আকরামকে মারুফের বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরে তাঁর মরদেহ বাড়ির আঙিনায় ফেলে রাখা হয়। ঘটনার পরও মারুফ বাড়িতে অবস্থান করছিলেন বলে জানান স্থানীয়রা।
আটক মারুফ বিন হাবিব তালুকদার ওই গ্রামের নুর মোহাম্মদ তালুকদারের ছেলে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী। ঘটনার পর তাঁর পরিবারের সদস্যরা বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন বলে জানা গেছে।
নিহত আকরামের বাবা আব্দুর রহিম বলেন, “আমার ছেলেকে কেন ডেকে নিয়ে গেল, আর কেন হত্যা করা হয়েছে, তা আমি বুঝতে পারছি না।” এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।
উল্লাপাড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, অভিযুক্ত মারুফকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে যাতে এলাকায় নতুন করে কোনো সহিংসতা না ঘটে, সে জন্য কোনাগাঁতী গ্রামে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।