চীনের সঙ্গে আরও গভীর শিল্প অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে আগ্রহী বাংলাদেশ

  প্রিন্ট করুন   প্রকাশকালঃ ২৫ জুন ২০২৬ ১১:১২ পূর্বাহ্ণ   |   ৩৭ বার পঠিত
চীনের সঙ্গে আরও গভীর শিল্প অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে আগ্রহী বাংলাদেশ

চীনের ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফোরাম’ শীর্ষক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত, ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত এবং চীনের সঙ্গে আরও গভীর শিল্প অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে আগ্রহী। একই সঙ্গে তিনি চীনা কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে তাদের ভ্যালুচেইন সম্প্রসারণের জোরালো আহ্বান জানান।

 

বৃহস্পতিবার চীনের স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে) বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক দিয়াওইউতাই হোটেলে এই উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

 

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) আয়োজিত এই বিশেষ সম্মেলনে বাংলাদেশে বিনিয়োগের নানাবিধ সুযোগ-সুবিধা ও সম্ভাবনা নিয়ে চীনা ব্যবসায়ীদের সামনে একটি বিশেষ প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। সম্মেলনে চীনের শীর্ষস্থানীয় ১২৫ জন খ্যাতনামা ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তা অংশগ্রহণ করেন।

 

সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আন্তর্জাতিক পুঁজি সংক্রান্ত কার্যপ্রণালী সম্পূর্ণ ঢেলে সাজাতে বর্তমান সরকার একটি সুনির্দিষ্ট ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। এই পরিকল্পনার মাধ্যমে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস করা, সরকারি সেবার শতভাগ ডিজিটালাইজেশন, অর্থনৈতিক নীতির ধারাবাহিকতা নিশ্চিতকরণ এবং একটি বিশ্বমানের বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

চীনা বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, চট্টগ্রামের আনোয়ারায় বিশেষায়িত ‘চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চল’ এবং মোংলায় ‘দ্বিতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল’ গড়ে তোলার কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। পাশাপাশি চীনা বিনিয়োগকারীদের আরও দ্রুত ও কার্যকর সেবা প্রদানের লক্ষ্যে শিগগিরই চীনে বাংলাদেশের প্রথম ‘বিনিয়োগ কার্যালয়’ (ইনভেস্টমেন্ট অফিস) চালু করা হবে।

 

গুরুত্বপূর্ণ এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন প্রমুখ।