সাধারণত শীতকালে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ কম থাকায় মাথার ত্বক রুক্ষ এবং শুষ্ক হয়ে ওঠে। ফলে অনেকের মাথার ত্বক শুকিয়ে খুশকির সমস্যা শুরু হয়। কোনও কারণে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়লে শীত শেষ হওয়ার পরও কমে না খুশিকর সমস্যা। যারা সারা বছর খুশকির সমস্যায় ভোগেন তারা ঘরোয়া কিছু সমাধান বেছে নিতে পারেন।নারকেল তেল, লেবুর রস, অ্যালোভেরা, এবং অ্যাপল সাইডার ভিনেগারের মতো ঘরোয়া উপাদান ব্যবহার করে সহজেই খুশকির সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। এই প্রাকৃতিক পদ্ধতিগুলি মাথার ত্বকের পিএইচ ভারসাম্য বজায় রাখে, চুলকানি কমায় এবং ছত্রাকজনিত খুশকি দূর করে। নিয়মিত যত্নে খুশকি থেকে পুরোপুরি মুক্তি পাওয়া যায়।
হারকা গরম নারকেল তেল ও লেবুর রস
২ টেবিল চামচ নারকেল তেল হালকা গরম করে তাতে সমপরিমাণ লেবুর রস মেশান। মিশ্রণটি মাথার ত্বকে আলতো করে ম্যাসাজ করুন। ২০ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। এটি চুলকানি কমায়। সেই সঙ্গে খুশকি দূর করে।
অ্যাপল সিডার ভিনেগার
সমপরিমাণ পানি ও অ্যাপল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। শ্যাম্পু করার পর এই মিশ্রণটি চুলে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এটি মাথার ত্বকে পিএইচ ভারসাম্য ঠিক রাখে।
অ্যালোভেরা জেল
সরাসরি অ্যালোভেরা জেল মাথার ত্বকে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন। এটি মাথার ত্বকের জ্বালা বা চুলকানি কমায় এবং আর্দ্রতা বজায় রাখে।
মেথি ও দই
মেথি সারারাত ভিজিয়ে রেখে সকালে বেটে পেস্ট করে নিন। এর সঙ্গে টক দই মেশান। এই মিশ্রণটি চুলে লাগিয়ে ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।
টি ট্রি অয়েল:
শ্যাম্পুর সঙ্গে ২-৩ ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে চুল পরিষ্কার করুন, এতে ছত্রাকজনিত সমস্যা দূর হয়।
কিছু জরুরি টিপস
চুল পরিষ্কার রাখতে নিয়মিত মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করুন।
খাবারে জিঙ্ক, ভিটামিন বি এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড যুক্ত খাবার খান।
অতিরিক্ত মানসিক চাপ খুশকি বাড়িয়ে তোলে। এ কারণে যোগব্যায়াম বা মেডিটেশন করুন।
জেল বা হেয়ার স্প্রে ব্যবহার কমান, কারণ এগুলো খুশকি বাড়াতে পারে।