কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় সচেতনতার অভাবের কারণেই অনেক ক্ষেত্রে নির্ধারিত সরকারি দামে চামড়া বিক্রি করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
সোমবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, চামড়া দ্রুত নষ্ট হওয়া ঠেকাতে কোরবানির পরপরই এতে লবণ ব্যবহার করা জরুরি। এ বিষয়টি ঠিকভাবে অনুসরণ না করায় অনেক চামড়ার মান নষ্ট হয়েছে, ফলে বাজারে বিক্রির ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সরকার সাধারণত লবণযুক্ত বা সঠিকভাবে সংরক্ষিত চামড়ার জন্যই দাম নির্ধারণ করে থাকে। কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে কোরবানি দেওয়া অনেকেই চামড়া দান করে দেন, ফলে সঙ্গে সঙ্গে সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় সেগুলো নষ্ট হয়ে যায়। এতে চামড়ার মান কমে গিয়ে নির্ধারিত মূল্য পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।
বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, চামড়া সংরক্ষণে সহায়তার অংশ হিসেবে সরকার এবার বিনা মূল্যে লবণ সরবরাহ করেছে। এরপরও মাঠপর্যায়ে যথাযথ সংরক্ষণ ও সচেতনতার ঘাটতির কারণে অনেক চামড়ার গুণগত মান ঠিক রাখা সম্ভব হয়নি।
তিনি বলেন, সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা গেলে কোরবানির পশুর চামড়া দেশের চামড়া ও চামড়াজাত শিল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল হতে পারে। এ খাতকে শক্তিশালী করতে মাঠপর্যায়ে আরও সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।