নতুন করে একটি মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের শক্তিশালী হামলা

  প্রিন্ট করুন   প্রকাশকালঃ ০১ জুন ২০২৬ ০১:২০ অপরাহ্ণ   |   ৪০ বার পঠিত
নতুন করে একটি মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের শক্তিশালী হামলা

মধ্যপ্রাচ্যের একটি মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে শক্তিশালী হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের এলিট ফোর্স ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। 

 

সোমবার ভোরে এই অভিযান চালানো হয় বলে তাদের এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত সামরিক ঘাঁটিটি ঠিক কোন দেশে অবস্থিত, নিরাপত্তা জনিত কারণে তা গোপন রেখেছে আইআরজিসি।

 

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ইরানের দক্ষিণ হরমোজগান প্রদেশের সিরিক দ্বীপের একটি টেলিযোগাযোগ টাওয়ার লক্ষ্য করে আগে মার্কিন বাহিনী আঘাত হেনেছিল। মূলত সেই আগ্রাসনের জবাব দিতেই ওয়াশিংটনের ওই নির্দিষ্ট ঘাঁটিতে পাল্টা এই সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

 

ইরানি সংবাদমাধ্যম মেহর নিউজ এজেন্সির তথ্যমতে, আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্স মার্কিন ঘাঁটিটি লক্ষ্য করে সফলভাবে হামলা সম্পন্ন করেছে। তাদের দাবি, আমেরিকার আক্রমণের মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই এই অভিযান চালানো হয় এবং পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুগুলো পুরোপুরি ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে তারা।

 

ভবিষ্যতে এমন কোনো হামলা চালানো হলে তার পরিণাম আরও ভয়াবহ এবং ভিন্ন প্রকৃতির হবে বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে এই বাহিনী। উদ্ভূত পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটলে তার সম্পূর্ণ দায়ভার ওয়াশিংটনকেই নিতে হবে বলেও তারা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে। তবে তেহরানের এই দাবির বিষয়ে পেন্টাগন বা মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে এখনও কোনো মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

 

এর আগে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক বার্তায় জানায়, তারা হরমোজগান প্রদেশের গরুক ও কেশম দ্বীপে অবস্থিত ইরানের রাডার এবং ড্রোন নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে ‘আত্মরক্ষামূলক হামলা’ চালিয়েছে।

 

দীর্ঘ প্রায় এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় দুই দেশের মধ্যকার ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি এখন খাদের কিনারায় রয়েছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের যুদ্ধ শুরু হওয়ার আশঙ্কায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে মধ্যপ্রাচ্যে। গত কয়েকদিন ধরে দুই পক্ষই একে অপরের সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ছোট আকারের এই প্রতিরোধমূলক হামলা-পাল্টা হামলা অব্যাহত রেখেছে।